মুঃ মুজিবুর রহমান, বাউফল, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের কৌখালী গ্রাম থেকে তাসলিমা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১ টার দিকে পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। তসলিমা বেগম কৌখালী গ্রামের খালেক ভান্ডারীর তৃতীয় স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেক ভান্ডারী প্রথম স্ত্রী কহিনুর বেগমকে তালাক দেয়ার পর তিনি পিয়ারা বেগমকে (৫৫) দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এর কয়েক বছর পর খালেক ভান্ডারী তাসলিমা নামের আরেক নারীকে তৃতীয় বিয়ে করেন। তাসলিমার আগের ঘরে নুরুজ্জামান (২৪) নামের এক ছেলে আছে। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী পিয়ারা বেগমের সাথে তাসলিমার বনিবনা হচ্ছিলনা। এমনকি খালেক ভান্ডারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে সফিক ও তার বউয়ের সাথেও তাসলিমার বনিবনা ছিলনা। এ নিয়ে কয়েক দিন আগে খালেক ভান্ডারীর সাথে ছোট বউ তাসলিমার ঝগড়াঝাটি হয়।
ঘটনার দিন রবিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে নিজ ঘরের বারান্দায় তসলিমাকে অর্ধ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী পিয়ারা বেগম ডাকচিৎকার করেন। এরপর প্রতিবেশীরা এসে পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয় লোকজন ও তাডলিমার ছেলে নুরুজ্জামান অভিযোগ করেন পারিবারিক কলহের জের ধরে তাসলিমাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার দুই পা মাটির সাথে লাগানো ছিলো এবং দুই হাঁটু ভাজ করা ছিল। এটা হত্যা, নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।
বাউফল থানার ওসি আরিচুল হক বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।