জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহীত পূজার মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে ১৭৬টি মন্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজার শুরু হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা রাতে জেলার অধিকাংশ মন্ডপে দেবী দূর্গার মঙ্গল অর্চনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহাষষ্ঠী। এসময় ধুপের ধোঁয়া, কাঁসর ঘন্টা, শাঁখ, উলুধ্বনী আর চন্ডিপাঠে মুখর হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গন। মহাষষ্ঠীতে অশুভ শক্তির বিনাশে ‘মঙ্গলময়ী’ দেবীর জাগরণী সুর প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করেন ভক্তরা। সন্ধ্যায় দেবী দুর্গার আমন্ত্রন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে জেলার ১৭৬টি মন্ডপে শুরু হয় পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হয় দেবীর বোধন।
এদিকে দূর্গা পূজা নির্বিঘ্নে করার জন্য এবং সকল ধরনের অপতৎপরতা ঠেকাতে মাঠে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও আসনার বাহিনীর কড়া নজরদারীতে রয়েছে পূজামন্ডপগুলো। এছাড়া সকল ধরনের নাশকতা রুখতে প্রতিটি মন্ডপে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এছাড়া জেলা প্রশাসন সার্বক্ষনিক যোগাযোগের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। যে কোন ধরনের নাশকতা চোখে পড়লে ফোন দিলে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
১৭৬টি পূজা মন্ডপের মধ্যে পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ২৬টি, গলাচিপা উপজেলায় ২৮টি, বাউফলে ৬৫টি, দুমকিতে ১০টি, রাঙ্গাবালীতে ৫টি, মির্জাগঞ্জে ১৫টি, দশমিনায় ১৩টি, কলাপাড়া উপজেলায় ১০টি ও মহিপুর থানায় ৪টি পূজামন্ডপ। উক্ত সংখ্যক পূজা মন্ডপের মধ্যে অধিক গুরুত্বপুর্ন ৫৭টি, গুরুত্বপুর্ন ৯১টি এবং সাধারণ মন্ডপ ২৭টি নির্ধারণ করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসন। পূজামন্ডপ সমূহে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার।