সাউথ বিডি নিউজ ২৪ ডেস্কঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের দেউলি পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবৈধ কমিটি বাতিল, শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামের বিচার ও অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার দেউলি ইউনিয়ন বাজার মোড়ে পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবৈধভাবে কমিটি দেওয়ার প্রতিবাদে ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি, প্রতিষ্ঠানে অর্থ লোপাট, স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন করা হয়। এ সময় প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবী করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি মনিরুজ্জামান খান, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আইয়ুব আলী খান, অভিভাবক সদস্য জাকির হোসেন খান, মোতালেব মৃধা, বাবু শিকদার ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী আদনান হোসেন শাওন প্রমুখ।
এ সময় বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি মনিরুজ্জামান খান বলেন, ’ঐতিহ্যবাহী এই মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ৫০ বছরের পুরোনো কিন্তু এর সুনাম বর্তমান প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম শেষ করে দিয়েছে। তার স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের কারনে বিদ্যালয়টি আজ ধ্বংসের মুখে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের কাউকে না জানিয়ে তিনি রাতের আঁধারে একটি কমিটি করেছে যেখানে জমি দাতাসহ স্থানীয় কাউকে রাখেনি। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।”
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আদনান হোসেন শাওন বলেন, ‘আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনেক পুরোনো। তার হাত থেকে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। তার স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে আমরা প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এই সালামের অপসারণের জোর দাবি জানাই।”
এ ব্যাপারে জানতে দেউলি পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামকে একাধিকবার কল করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বিদ্যালয় ম্যানিজিং কমিটির নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মুহাম্মদ আমিনুল ইসলামের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে তার কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। তার ব্যক্তিগত মোবাইলে দফায় দফায় কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।