ষ্টাফ রিপোর্টারঃ প্রজননক্ষম মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান কর্মসূচী-২০২৩ বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একযোগে কাজ করছেন পটুয়াখালী জেলা মৎস অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। জেলার নদনদীতে সর্বাত্মক টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার পায়রা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদনদীতে অভিযান পরিচালনা করেন মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশ। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলামের তত্বাবধানে অভিযানে অংশগ্রহণ করেন বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি উপপরিচালক ড. মো: মোতালেব হোসেন ও সদর উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মু. মাহফুজুর রহমান।
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে পটুয়াখালীতেও ১২ অক্টোবর থেকে ০২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে।
রবিবার দিবাগত মধ্য রাত থেকে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয় ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। টানা ২২দিনের অবরোধে জাল নৌকাসহ সকল সরঞ্জামাদী তীরে নিয়ে আসছেন জেলেরা। নদীতে কোন জেলেকে জাল ফেলতে দেখা যায়নি।
ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে পটুয়াখালীর তেতুলিয়া নদী, পায়রা নদী, আগুনমুখা নদী আর কারখানা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে বিশেষ জোরালো অভিযান শুরু করেছে মৎস্য বিভাগ। মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে জেলা টাস্ক ফোর্স কমিটির সদস্য এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ বাহিনী অংশগ্রহণ করেছে।
এই কর্মসূচি সফল করতে জেলার সকল ইউনিয়নে সভা সেমিনারের মাধ্যমে জেলেদের সচেতন করা হয়েছে। যাতে কেউ ইলিশ ধরা বা মজুদ করতে না পারে, সেজন্য সকল বরফ কলের বরফ উৎপাদনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও জেলার ৮৫ হাজার জেলেকে এই ২২দিনের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।