তোমার টগবগে তাজা মুখখানা আজও আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে মা আমার যাবার বেলায় তোমার জলজলে চোখের জল ছল ছল করে ঝরছিলো।
আমি তোমার সন্মুখে জল ফেলিনি মা কেনো জানো? যাবার মূহুর্তে এক ভিবিষিকাময় পরিণতির সৃষ্টি হবে বলে তবে ফেলেছি মা আমি জল ফেলছি।
আর কখন ফেলেছি জানো মা যাবার বেলা পুড়োটা জার্নিতে ফেলেছি মানুষ জার্নি উপভোগ করে এপাশ ওপাশের দৃশ্য উপভোগ করে আর আমি উপভোগ করেছিলাম তোমার অশ্রুজল।
আর সেই যে ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলাম আর তোমার মুখখানা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি আল্লাহপাক কেড়ে নিল তোমাকে আর সারা জনম জনম ধরে আমার এই অশ্রুধারা।
মা তুমি এক পহাড় সমান জল উপহার দিয়ে চলে গেলে আর আমার এই অশ্রু সাগর সমান আমাকে যে পৃথিবীতে ফেলে গেলে আমি বয়ে বেড়াচ্ছি পৃথিবীতে মা না থাকার করুণ দৃশ্যপট।
এদিকে চাই সেদিকে চাই কোথাও তুমি নেই, মা তুমি নেই মানে এই পৃথিবীতে কেউ নেই কিছুই নেই আমার আশেপাশে সকলকিছুই আছে শুধুই আমার পৃথিবীটা নেই মা।
তোমার মাঝেই আমার সকল সুখ নিহিত ছিল মা হতাশা আর দুর্বলতা ছিল তোমার কাছে ছুটে গিয়ে তোমার বুকে মাথাটা গুঁজলেই সকল কিছু ভুলে যেতাম।
তুমি ছিলে আমার দুঃখ ভোলানো জিবন্ত অবয়ব,তুমি ছিলে আমার হৃদপিন্ড, কেনো আমাকে ছেড়ে চলে গেলে মা আমি এতটা পথ তোমায় ছাড়া কি করে পারি দিব বলো মা একটিবার বলো।
তোমার তো বেশি বয়স ছিলনা মা তুমিতো ছিলে আঠারো বছর বয়সিনী একজন কিশোরীর মত তোমার মুখখানা আজও আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে কোথাও সুখ মেলেনা মা।
প্রতিবার নামাজে তোমার অবয়ব চোখের সামনে নিয়ে তোমার জন্য দোয়া করি তোমাকে আল্লাহপাক জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন মা নেই যার সুখ নেই তার পৃথিবীর সকল সুখ কেবল মায়ের অবয়বে।
লেখিকাঃ
মমতাজ খানম