ষ্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে প্রতিদিন শত শত রোগীরা সেবা নিতে আসেন। হাসপাতালের কোনো জায়গায় তিল পরিমান ঠাঁই নেই দাঁড়নোর মত। অথচ রোগীদের বারান্দায় রেখে সেবা না দিয়ে নিজের জন্মদিনের কেক কেটে অনুষ্ঠান পালন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ডাঃ আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে একটি ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা যায় ডাক্তার ও তার সহকারীরা সবাই মিলে কেক কেটে আনন্দ উল্লাসে ব্যাস্ত এমন সময় গুরুত্বর অসুস্থ রোগীরা ডাক্তারকে চিকিৎসা সেবা দেয়ার অনুরোধ করছে। এসময় ডাক্তার ও তার সহকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে রোগীর সঙ্গে পাল্টা পাল্টি জবাবদিহিতা করছে। এসব চিত্র ধারন করতে গেলে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাও করে একজন গণমাধ্যমকর্মীর এবং সেখানে রোগীদের সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন চিকিৎসকরা।
ভুক্তভোগী আবু রায়হান বলেন, “সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর কেনো তারা সেবা পাবেনা, জানতে চাইলে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া হয় রোগীকে। পরে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে যায় অপদস্ত হওয়া অনেক রোগী।”
তিনি আরো বলেন, “৩-৪ ঘন্টা পর ডাক্তার এসে রোগী না দেখে দরজা আটকে ঔষধ কোম্পানির উপহার নেয়া ও কেককাটায় ব্যস্ত হয়ে পরে। অনেক অনুরোধ করলেও তাদের আয়োজনে তারা ব্যস্ত থাকে। আমি তাদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে আমাকে হাসপাতাল থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়।”
এ বিষয়ে জানতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার আতিকুর রহমান বলেন, “আমি অনেকগুলো রোগী দেখেছি। আমার সাথে যে ছেলে-মেয়েরা ছিলো তাদের অনেক ক্ষুদা লেগেছে। এজন্য আমি নাস্তা করতে ছিলাম। এরমধ্যে কোম্পানির লোকেরা আমার জন্য কেক নিয়ে আসছে। যেহেতু ভিজিটিং টাইম রবিবার ও বুধবার। এছাড়া আমার ডিউটি টাইম ছিলো ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত কিন্তু একজন সাংবাদিক আমার কাছে ডাক্তার দেখাতে এসে অপেক্ষা না করে ২.৩৮ মিনিট সময় আমার হাসপাতালের চেম্বারে ঢুকে ছবি তুলে নিয়ে গেছে।”
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার দিলরুবা ইয়াসমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।