জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ এ বছর পটুয়াখালী জেলার ৮ টি উপজেলায় ১৯০ টি মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে। নির্বিঘ্নে, উৎসবমুখর ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনীসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী র্যাব ও আনসার বাহিনী তৎপর।
গত বুধবার (২ অক্টোবর) রাতে পটুয়াখালী জেলা শহরের বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন বরিশালের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ আব্দুস সালাম (রিমন)সহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
বুধবার রাতে পটুয়াখালীর নতুনবাজার শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর আখড়া বাড়ি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করে অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুস সালাম রিমন বলেন, নির্বিঘ্নে ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেই শারদীয় দুর্গোৎসব পালনে পুলিশ বাহিনী কাজ করছে। তাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগতা করার জন্য হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।
নতুন বাজার শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর আখড়া বাড়ি পূজামন্ডপ কমিটির সভাপতি উৎপল দত্ত রিংকুর সভাপতিত্বে ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সঞ্জয় কুমার খাসকেলের সঞ্চালনায় অতিরিক্ত ডিআইজি'র পরিদর্শন উপলক্ষে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালীর নবাগত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাজেদুল ইসলাম সজল ও সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. জসিম উদ্দিন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের পুরোহিত সুনীল গাঙ্গুলি, মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাস কালু, সহ-সভাপতি মন্টু মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ লিটন কর্মকার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অপূর্ব সরকার, নতুন বাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রথিন পাল, সহ-সভাপতি চিন্ময় কর্মকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মৃনাল কর্মকারসহ মন্দির কমিটি ও পূজা মন্ডপে নিয়োজিত ভলান্টিয়ারগন।
পূজা উদযাপনে প্রস্তুত ১৯০টি পূজা মন্ডপের মধ্যে পটুয়াখালী পৌরসভায় ৬টি, সদর উপজেলায় ২০টি, গলাচিপা উপজেলায় ৩০টি, বাউফলে ৭১টি, দুমকিতে ১১টি, রাঙ্গাবালীতে ৬টি, মির্জাগঞ্জে ১৬টি, দশমিনায় ১৬টি ও কলাপাড়া উপজেলায় ১৪টি পূজামন্ডপ। এ সব পূজামন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ সম্পন্ন করে রং তুলির কাজ চলছে।