একজন নারীর ঘরের সমস্ত কাজগুলো যত্নসহকারে করা, শশুড় শাশুড়ির সাথে ভাল ব্যাবহার করা, বৃদ্ধ বয়সে নিজের বাবা মা মনে করে তাদের সেবা করা, সন্তান প্রসব করা, তাদেরকে পারিবারিক শিক্ষা দেয়া, তাদের লালন-পালন করা, লেখাপড়ার প্রতি নজর দেয়া, স্বামীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তার প্রতি যত্ন নেয়া, তার পছন্দের সাথে নিজের পছন্দকে মিলিয়ে ফেলা, সেক্ষেত্রে স্বামীকেও যত্নবান হতে হবে। আত্মীয়স্বজনদের হক যথাযথভাবে পালন করা, মেহমানদারি করা, যার যার হক তাকে সঠিকভাবে পৌছে দেয়া।
একজন স্ত্রী ঠিক এই কাজগুলো সঠিকভাবে করতে পারেন যদি স্বামীসহ তার পরিবারের সকল মানুষগুলো তাকে সন্মান করেন, তার কাজের প্রশংসা করেন, তাকে মূল্যায়ন করেন। একজন নারী খুবই আন্তরিক হয় তাকে একটু সমাদর করলে। তিনি আপনাদেরকে মাথায় তুলে রাখতে পারেন। নারীদের মানষিকতা এভাবেই আল্লাহপাক করে দিয়েছেন।
একটি ভুল করে ফেলেছে। ধরেন, কাজ করতে গিয়ে একটি প্লেট ভেঙ্গে ফেলেছেন তাকে ধমক না দিয়ে বলুন এটা কোন বিষয় নয়, কাজ করতে গেলে এমন হয়েই থাকে।
তবেই সেই নারী আপনার/ আপনাদের প্রতি বিশ্বস্ততা অর্জন করবেন আর ভক্তি করবেন, শ্রদ্ধা করবেন, সংসারে কোনওরকমের ঝগড়াঝাঁটি হবেনা। আর যদি বলেন ভাঙ্গল কেন তোমার বাবার বাড়ী দিয়ে এনে দাও তবেই দেখবেন সংসারে অশান্তি শুরু হয়ে গেছে তার কাছ থেকে আর কোনো ভাল কাজের আশা করতে পারবেন না। ভয়ে ভয়ে কাজ করতে গিয়ে আরো কিছু ভেঙ্গে ফেলেছে এই নিয়ে পরবর্তিতে সংসার ভেঙ্গে যাবার মত ঘটনা ঘটে থাকে।
নারীদেরকে সন্মান করুন, ভালবাসুন, আপন ঘরেই সুখ খুজে পাবেন। যার ঘরে সুখ নেই তার বাহিরেও সুখ থাকেনা। সংসারে নারীদের যেমন ভুমিকা আছে পুরুষদেরও ঠিক একই ধরনের ভুমিকা রয়েছে।
কলমেঃ মমতাজ খানম