জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীতে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক নির্যাতন ও মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নের মাটিভাংগা এলাকায়। এ অমানবিক ঘটনায় ভিকটিম প্রতিবন্ধী কিশোর রাহাত ঘরামীর দিনমজুর বাবা হাবিব ঘরামী সদর থানায় মারধরের ঘটনার সাথে জড়িত খবির হাওলাদার ও মিলন হাওলাদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। যার এসএল নং-২৩৪৮, তারিখ: ২২.০৬.২৪ইং।
এ অভিযোগে বাদী হাবিব ঘরামী বলেছেন, উল্লেখিত খবির হাওলাদারের সাথে দীর্ঘ সময় বিরোধ চলে আসছিলো। এ বিরোধের জের ধরে ঘটনার দিন ২২ জুন শনিবার আনুমানিক বিকাল ৩ টার সময় খবির হাওলাদারের বাড়ির সামনে আমার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে রাহাতকে একা পেয়ে গাছের সাথে বেঁধে খবির হাওলাদার ও তার ছেলে মিলন হাওলাদার বাপ-বেটা দুইজনে মিলে তাকে এলোপাথারি মারপিট করে শরীরে বিভিন্ন স্থানে ফুলা জখম করে। এ সময় রাহাত বাঁচাও বাঁচাও করে ডাকচিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ প্রান নাশের হুমকি দিয়ে বীরদর্পে চলে যায়। স্থানীয় মালেক মৃধার ছেলে জাফর মৃধা ও খালেক মৃধার ছেলে লিটন মৃধা রাহাতকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। রাহাত বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক ওয়ার্ডের ৪৭ নম্বর বেডে মারধরের ব্যাথায় কাতরাচ্ছে। এ ঘটনার দৃস্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন দিনমজুর বাবা হাবিব ঘরামী।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন জানান, “আমি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।” তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহাবুব আলম খান জানান, “সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে তদন্ত করার জন্য যাবো।”