মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর গলাচিপার নদী বেষ্টনী চরকাজল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মনিরুল ইসলাম এর বসতি আঙ্গিনায় স্যালো টিউব ওয়েল বসাতে গিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস এর সন্ধান মেলে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক জনসাধারণ প্রতিদিন দেখতে আসছে। ৮' সেপ্টেম্বর রবিবার সরজমিনে গেলে দেখা যায়, প্রতিদিনের রান্না করার কাজে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করছেন ইউপি সদস্যদের পরিবার।
ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, পানির পাইপ দিয়ে গ্যাসের কথা বহু শুনেছি, আমার বাড়িতে এ গ্যাস এর সন্ধান পাবো, ভাবতেও পারিনি। যদি প্রাকৃতিক গ্যাস হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে, দেশের রপ্তানী কাজে ব্যাবহার করে উন্নয়নের কাজে এগিয়ে আসবে এমনটা'ই আমাদের প্রত্যাশা।
যানা যায়, গত ৫ দিন পূর্বে স্থানীয় টিউবওয়েল কারিগররা বাড়ির পাশে টিউবওয়েলের পাইপ বসান। পরে প্রায় ৮'শত ৫০০ ফুট গভীরে প্রবেশ করলে বুদ বুদ করতে শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পরে কারিগররা গ্যাস এর উপস্থিতি টের পান। পরক্ষনে পেঁপে গাছের ডাল দিয়ে আগুন জ্বালাতে অনবরত আগুন জ্বলতে থাকে।
বিষয়টি গলাচিপা উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আঃ রহমান মুঠোফোনে বলেন, আসলে এটাকে আমরা স্বভাবত (বাও) গ্যাস বলে থাকি, কেননা ভূপৃষ্ট থেকে কমপক্ষে ৮শত থেকে ৯'শত ফুট গভীরে পাইপ প্রবেশ করলে এধরনের লক্ষণ প্রা'ই দেখা যায়, বহু শত বছরের পচনশীল দ্রব্যের উৎপাদীত গ্যাস সৃষ্টি হলে'ই এধরনে বাও গ্যাসের সন্ধান বহু জায়গায় পাওয়া গেছে, এবং অল্পকিছু দিন জ্বলে পুনোরায় নিভেও গিয়েছে। এছাড়া সাধারণত বাণিজ্যিক বা মিথেন গ্যাস সর্বোচ্চ ভূপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ফুট গভীরে পরিলক্ষিত হয়। তার পরেও বিষয়টি নিয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করে পর্যালোচনা করে দেখা হবে।
অপর দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।