1. info@www.southbdnews24.com : 𝐒𝐨𝐮𝐭𝐡 𝐁𝐃 𝐍𝐞𝐰𝐬 𝟐𝟒 :
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালী জেলা কারাগারে কারারক্ষীর ঝু*লন্ত ম*র*দেহ উদ্ধার “আগামী কোরবানী ঈদের আগেই তারেক রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন” -আলতাফ হোসেন চৌধুরী তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে বাউফলে মনির হোসেন রাজার সৌজন্যে লিফলেট বিতরণ ঈদের দিনে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গলাচিপার ইউএনও মিজানুর রহমান বাউফলে সেলুনের আড়ালে যখন মা*দক কারবারি সুনীল পটুয়াখালীতে আত*শবা*জি ফোটাতে গিয়ে এক শিশুর মৃ*ত্যু ও দুই কিশোর গু*রুত*র আ*হ*ত গৌরনদীতে ব্যবসায়ীদের আয়োজনে ইফ্তার মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে বাউফলের ১৪ গ্রামে ঈদ উৎসব পটুয়াখালীর বদরপুরসহ ২৭টি গ্রামে ঈদুল ফিতর পালিত ইটবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজও ছুয়ে যায় স্মৃতির পাতায় পুরোনো দিনগুলো

মমতাজ খানমঃ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

আজও ছুয়ে যায় স্মৃতির পাতায় পুরোনো দিনগুলো

আমি মেধাবীদেরকে অনেক পছন্দ করি। কোন গরীব মেধাবীকে দেখলে আমার মায়া লাগে। তাকে একটু এগিয়ে দিতে মন চায়। আমরা মেধাবী বলতে বুঝি শুধু পড়াশোনা করে এ প্লাস পাওয়াটাকেই, আসলে কি তাই? আমার মতে তাই নয়। ইট তৈরী করেন, বিল্ডিং বানায়, কাঠের বাড়ী তৈরী করেন, নৌকা বানায়, হাড়ি পাতিল তৈরী করেন, দা, কাচি, খোন্তা কুড়াল তৈরী করেন, শাড়ী বোনেন। তাছাড়া আরো অনেক প্রফেশনই আছে যেগুলিকে আমরা মেধা বলিনা, কর্মি বলি। আসলে কি তাই?

আমি মনে করি প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রেই মেধার প্রয়োজন। প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদাভাবে মেধা আছেন। কিন্তুু সেগুলিকে আমরা মেধা না বলে কামলা বলি এবং সেভাবে তাদেরকে ট্রিট করি, এটা কি ঠিক? একজন রড মিস্ত্রি, একজন রাজমিস্ত্রি একটি দালান গেঁথে তোলেন। কতনা কষ্ট করে অথচ ওনারা সেই বিল্ডিং এ থাকতে পারেননা। আমরা দিন শেষে তাদেরকে দিনমজুর বলে আখ্যা দেই। আর সেরূপ আদান প্রদান করি, এটা কি ঠিক?

আমার মতে ওনাদেরকে সবোর্চ্চ সন্মান দিতে হবে, সন্মানের সাথে তাদের সাথে কথা বলতে হবে। তবেই আমাদের মাঝে মানষ্যত্ববোধ ঠিক থাকে। একজন ঝাড়ুদার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না করলে গন্ধে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠবে, আমরা বেশিক্ষণ সেখানে টিকে থাকতে পারব না। অথচ আমরা তাদেরকে মানুষ হিসেবে দেখিনা। সুইপার শব্দটা একটা গালি হিসেবে ব্যাবহার করি।

এভাবেই আমাদের সমাজটা হিংসা প্রতিহিংসায় জর্জরিত, ছোট চাকুরী, বড় চাকুরী, ছোট সাহেব, বড় সাহেব বলে আখ্যায়িত। যে কারণে আমির হয় ফকির আর ফকির হয় আমির। এসব প্রতিহিংসার কারণেই মূলত এই সবকিছুই হয়ে থাকে আমরা শুধু বুঝিনা। আমার মনে হয়না কোন কেতাবে এগুলো লেখা আছে,মানুষকে এভাবে বিভক্তকরন।

তবে হ্যা মানুষের কাজের একটা পরিচিতি হিসেবে এই নামগুলো ব্যাবহার করা যায় মাত্র। কিন্তুু রক্ত মাংশের মানুষ সবই এক, বুদ্ধিও কারো কম নয়। শুধুই বুদ্ধিগুলো বড়দের সন্মুখে উপস্থাপন করার সুযোগ দেয়া হয়না। মানুষের কাছে সারা জীবন ছোট হয়ে জীবনযাপন করেন। এক সময়কার এই সকল নিপীড়িত মানুষগুলোই আগে বেহেস্তে প্রবেশ করবেন।

বাস্তবতা লিখি যদি এই সময়ের মানুষগুলো কেঁদে মরবে নিরবধি, হাসবে শুধুই সেই যুগের মানুষগুলো, মিলবে যার জিবনের সাথে। কখনো কষ্ট, কখনো সুখে ডুবে যাবে কিন্তুু এ যুগের মানুষগুলো তার অর্থ কিছুই বুঝবেনা, কারণ তাদের জীবনের সাথে এসবের কোন মিল নেই।

জন্মের পরে সেই পুরোনো দিনগুলোর সাথে কারো পরিচিতি নেই, নেই কোনো বন্ধন। কি করে কাঁদা মাটির গন্ধ নিতে হয়, কি করে নিতে হয় মাটির রস সেসব এযুগের মানুষগুলো তা জানেন না। নদীর পাড়ের মুক্ত বাতাস আর ভর দুপুরের তপ্ত রৌদ্দুরের তাপদাহ কি জিনিস এসবের সাথে নেই কোন পরিচিতি। সেইগুলো লিখলে ওদের কাছে একান্তই সপ্ন মনে হবে। আর এসবের সাথে যাদের পরিচিতি আছে তাদের চোখ থেকে দু’ফোঁটা জল গড়িয়ে পরবে।

এসব লিখে আর সেই পুরানো দিনের রসালো ঐতিহ্যগুলো স্বরন করিয়ে দিয়ে কষ্ট দিতে চাইনা। চাইনা সেই ইলিশের গন্ধে এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি পর্যন্ত ছুটোছুটি করা। ডিম ভাজার ঘ্রানে পেট ভরে উঠা, সন্ধার পরে মাটির চুলার পাশে বসে শীত পোহানো আর নতুন ধানের পিঠেপুলি খাবারের কথা।

আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাইনা আষাঢ় মাসে ধান ক্ষেতে বড়শি ফেলে মাছ মারার কথা, নদীর বাঁকে বাঁকে গোল্লাছুট খেলার কথা। সন্ধ্যা হবার সাথে সাথে পড়তে বসা, আর পড়তে পড়তে না খেয়ে চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পরার কথা। মা ডেকে ডেকে হয়রান হয়ে দু’মুঠো মুখে দিলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গিলে খেতে গিয়ে অপর পাস থাকে কিছু অংশ পরে যাওয়া।

কলমেঃ মমতাজ খানম

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট